শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বরিশালের মাটিতে ভাস্কর সাহা: জীবন ও কবিতায় নিঃসঙ্গতার নির্মোহ ভাষ্য নরসিংদীতে প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকি: তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান সাবেক মেয়র মনজুরের বাসায় গিয়ে প্রশ্নের মুখে হাসনাত আবদুল্লাহ ইউক্রেনে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল রাশিয়া: বহু হতাহত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন রুবেল ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তে কঠোর ব্যবস্থা, বাতিল ৬৪৭৬ জনের নাম অবৈধ বালু বাণিজ্যে থামেনি চক্র: প্রশাসনের জালে ১১, জব্দ ২ ড্রেজার জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্বরোড তিন রাস্তার মোড়ে নিত্য যানজট ভোগান্তিতে জনজীবন ধুলাবালিতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী
পদার্থে নোবেল পেলেন মার্কিন তিন বিজ্ঞানী

পদার্থে নোবেল পেলেন মার্কিন তিন বিজ্ঞানী

চলতি বছর পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মার্কিন তিন বিজ্ঞানী। রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) পদার্থ বিজ্ঞানের নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে।

বৈদ্যুতিক বর্তনীর মধ্যে‌ ‌‌‌স্থূল কোয়ান্টাম যান্ত্রিক টানেলিং এবং ‌শক্তির কোয়ান্টাইজেশন আবিষ্কারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ ডেভোরেট এবং জন এম মার্টিনিসকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস বলেছে, এই আবিষ্কার কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। আর এর পুরস্কার স্বরূপ তাদের নোবেলে ভূষিত করা হয়েছে।

কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অদ্ভুত এবং সাধারণত ক্ষুদ্রাতীত কণার আচরণগুলো কীভাবে আমাদের পরিচিত বড় আকারের মানব-সৃষ্ট বস্তু বা অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যেতে পারে সেটি এ বছরের পদার্থে নোবেল পুরস্কারের বিষয় ছিল।

পুরস্কারপ্রাপ্ত এ তিন বিজ্ঞানী তাদের ধারাবাহিক পরীক্ষার মাধ্যমে দেখিয়েছেন, যে এই ঘটনাটি সম্ভব। তারা এমন একটি অতিপরিবাহী বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা তৈরি করেন, যা একটি অবস্থা থেকে সরাসরি অন্য অবস্থায় ‘টানেল’ করে যেতে পারে। বিষয়টি দেখে মনে হয় যেন একটি জিনিস দেওয়ালের মধ্যে দিয়ে ভেদ করে চলে গেছে।

তারা আরও দেখিয়েছেন যে এই ব্যবস্থাটি নির্দিষ্ট মাত্রার বা সুনির্দিষ্ট ‘ডোজ’-এ শক্তি শোষণ করে এবং বিকিরণ করে। যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ভবিষ্যদ্বাণীর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।

গত বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই পদার্থবিজ্ঞানী জন জে হোপফিল্ড এবং জিওফ্রি ই. হিন্টন। কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের সাথে মেশিন লার্নিংয়ের মৌলিক আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের জন্য এই পুরস্কার জিতেছিলেন তারা।

তার আগের বছর ২০২৩ সালে পদার্থবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান আমেরিকার পিয়ের অগস্টিনি, হাঙ্গেরির ফেরেঙ্ক ক্রাউৎজ এবং ফ্রান্সের অ্যানে এলহুইলার। পদার্থবিদ্যায় ২০২৩ সালের নোবেলজয়ী তিন বিজ্ঞানীরই গবেষণার বিষয় ছিল অভিন্ন- ইলেকট্রন গতিবিদ্যা।

পদার্থ বিজ্ঞানে সবচেয়ে বেশি বয়সে নোবেল পেয়েছেন আর্থুর আসকিন। ২০১৮ সালে ৯৬ বছর বয়সে তিনি সম্মানজনক এ পদক পান। অপরদিকে ১৯১৫ সালে মাত্র ২৫ বছর বয়সে পদার্থে নোবেল পেয়ে রেকর্ড গড়েন লরেন্স ব্রেগ।

তার চেয়ে কম বয়সে এরপর আর কেউ পদার্থে নোবেল পাননি। আর জন বার্ডিন একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে দুইবার এ ক্যাটাগরিতে নোবেল পেয়েছেন।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011-2026 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com